1. admin@aloketosatkhira.com : admin :
  2. kdpress21@gmail.com : aloketo satkhira : aloketo satkhira
  3. leto.debhata@gmail.com : Aloketo satkhira : Aloketo satkhira
  4. codew4m787@gmail.com : aloketosatkhira news : aloketosatkhira news
  5. masujoy77@gmail.com : aloketo satkhira : aloketo satkhira
সাতক্ষীরা পৌর নির্বাচনে পুলিশের লাঠিপেটার খবরে নৌকার ভোটে ধ্বস, দায় কার? - আলোকিত সাতক্ষীরা
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ১১:৩২ অপরাহ্ন
বিশেষ:
আ’লীগ নেতা সোলায়মান হত্যা মামলার প্রধান আসামি ওহাব আলী পেয়াদা গ্রেপ্তার ভিপি নূরের বক্তব্য- ঔদ্ধত্য,অজ্ঞতা নাকি  স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির প্রতিনিধিত্বের বহিঃপ্রকাশ? আইন মানেন না সাতক্ষীরার সার্কেল এসপি হুমায়ুন কবির তালায় সুষ্ঠভাবে ভোটগ্রহণে প্রতিবন্ধকতা, কেন্দ্র পরিবর্তন চায় ভোটাররা নব-মুসলিম পরিচয়ে প্রতারণা করছে সাধন দাস কলারোয়ার বালিয়াডাঙ্গায় ভাষা দিবসে জাতীয় পতাকা অবমাননা সাতক্ষীরায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত নিষিদ্ধ গাইডের সয়লাব “আল জাজিরার ডকুমেন্টারি একটি বায়বীয়, একপেশে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ডকুড্রামা” সাতক্ষীরায় আ’লীগের কাউন্সিলর প্রার্থীরা বিএনপি ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর থেকে সুবিধা নিয়ে ভোট করেছে সাতক্ষীরায় মেকাপম্যানের হুজুর সেজে ওয়াজ, খেলেন গণধোলাই (ভিডিও)
সর্বশেষ:
দেবহাটায় লকডাউনে ধরা খেল বরযাত্রীর গাড়ি-মোবাইল কোর্টে জরিমানা দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র‌্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট শুরু দেবহাটায় একদিনে ১৬ জনের করোনা শনাক্ত দেবহাটায় লকডাউন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্টের অভিযান, জরিমানা আ’লীগ নেতা সোলায়মান হত্যা মামলার প্রধান আসামি ওহাব আলী পেয়াদা গ্রেপ্তার শোভনালী ব্রীজ কালিবাড়ি সড়ক সংস্কার করছেন ইউপি চেয়ারম্যান “শেখ হাসিনার দৃষ্টিনন্দন মসজিদ পরিবর্তন আনুক ওদের দৃষ্টিভঙ্গিতে” নজরুল ইসলাম, কলাম লেখক ও তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা। ইউপি সদস্যকে মারপিটের ঘটনায় চেয়ারম্যান রতন সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেবহাটায় ইউপি সদস্যকে পেটালেন চেয়ারম্যান রতন! দেবহাটার জুয়েল হত্যা: দু’দিনের রিমান্ডে ইমরোজ

সাতক্ষীরা পৌর নির্বাচনে পুলিশের লাঠিপেটার খবরে নৌকার ভোটে ধ্বস, দায় কার?

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৭৫৭ দেখেছেন

আলোকিত সাতক্ষীরা ডেস্ক:


দুই একটি বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছাড়া মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেশেষ হয়েছে সাতক্ষীরা পৌর নির্বাচন। পুলিশের আগ্রাসী মনেভাবের কারণে কোণঠাসা ছিলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। কয়েক জায়গার পুলিশের লাঠিচার্জ ছিলো আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের উপর। পুলিশের লাঠি পেটার পর মুহূর্তের মধ্যে সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর ভোটে ধ্বস নামতে শুরু করে। পাল্টে যায় নির্বাচনী দৃশ্যপট। মনোবল হারিয়ে ফেলে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা। এ ঘটনার জন্য অতি উৎসাহী কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়ী করেছেন আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ। সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলিতে ভোটারদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটারের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

ভোটাররা অবাধে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। সরেজমিনে ভোট কেন্দ্র ঘুরে জানা যায়, দিনের প্রথম প্রহরে সাতক্ষীরা শহরের রসুলপূর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলায় আহত হন আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান হবি। খবর পেয়ে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা রসুলপূর কেন্দ্রে পৌছান। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা পাল্টা জবাব দিতে না পারায় সাধারণ কর্মী সমার্থকদের মনবল ভেঙে যায়। এদিকে পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের মাঠপাড়া নবনূর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফিরোজ আহমেদ ও আবদুস সালামসহ চারজন।

তাদেরকে সাতক্ষীরা হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওই কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর এজেন্টকে এক দলীয় কর্মী নাস্তা দিতে গেলে বাধা দেয় পুলিশ পরিদর্শক মাহাফুজুর রহমান। শুরু হয় বাকবিতন্ডা। এক পর্যায়ে ঐ পুলিশ কর্মকর্তা নৌকা নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার হুমকি দিলে ঘটে যায় বিপত্তি। পুলিশ লাঠিচার্জ করলে পাচ আওয়ামী লীগ কর্মী আহত হন। কয়েক মিনিটের মধ্যে এ খবর পৌরসভার ৩৭ টি ভোট কেন্দ্রে ছড়িয়ে পড়ে। ভোট কেন্দ্রেগুলোতে দায়িত্বরত নেতা কর্মীদের মাঝে হতাসা নেমে আসে। অনেক কর্মী কেন্দ্র ত্যাগ করে বাড়ি চলে যায়। আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, প্রতিকুল পরিবেশের কারণে সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে।

পুলিশ পরিদর্শক মাহাফুজুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কিছু লোক ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেছিল। তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে।

১নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম নামে কর্মী বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়। পুলিশের পরিদর্শক মাহফুজ বলে নৌকা দেশ থেকে তুলে দেবে এর চেয়ে কষ্টের কিছু হতে পারে না। পুলিশের আচরণ দেখে মনে হয়েছে তারা টাকা খেয়ে এসব করেছে। ১নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনিত কাউন্সিলর প্রার্থী সেলিম হোসেন বলেন, নৌকা প্রতীকের এবং আমার নির্বাচনী কর্মীকে কেন্দ্রের আশে পাশে থাকতে দেওয়া হয়নি। আমাদের পোলিং এজেন্টেদের জন্য খাবার নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ওল্টো খিস্তি খেউর করে গ্রেপ্তারের ভয় দেখানে হয়।

নৌকার বিপক্ষের প্রার্থীদের জন্য পুলিশ সদস্যদের বেশি আন্তরিক ছিলো। পুলিশের এই ধরনের আচরণের বিষয়ে তাদের সাথে কথা বলতে গেলে তারা বলে, নৌকার গুস্টি মারি, তোর নৌকাই থাকবে না। নৌকা নদীতে ভাসিয়ে দেব। আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রাথীর কোন ছাড় নেই বলে আমাদের উপর লাঠিচার্জ করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, সকালে এক ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার পর পরিচিত এক পুলিশ সদস্য আমাকে বলে এখানে কী করতে এসেছেন, বাড়ি চলে যান।

আমি সম্মান নিয়ে বাড়ি চলে আসি। তাদের আচরণ খুব বেশি ভালো ছিলো না। জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফিরোজ আহমেদ বলেন, নৌকার ব্যাচ থাকলে তাকে কেন্দ্রর আশে পাশে থাকতে দেওয়া হয়নি, লাঠি চার্জ করে বের দেওয়া হয়েছে। পুলিশের পরিদর্শক মাহফুজ আমাদের সাথে আস্ফালন করে বলে তোদের নৌকা দেশ থেকে তুলে দেব। পুলিশের লাঠি চার্জের কারণে আমিসহ আওয়ামী লীগের চারজন নেতকর্মী আহত হয়েছে। পুলিশ আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। পুলিশের বিমাতাসূলভ আচরণের কারণে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা মনোবল হারিয়ে মাঠ ছেড়ে দেওয়ার কারণে নৌকার ভোট কমে গেছে। দিন শেষে আমাদের পরাজয় হয়েছে। শহরের কামালনগর কেন্দ্রে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মী কামরুজ্জামান বলেন, সবাই নির্বিঘ্নে ভোটের প্রচার করতে পারলেও নৌকার লোকজনকে করতে বাধা দেওয়া হয়। আমাদের বারবার দুরে সরে যেতে বাধ্য করে। নেতাদের বলেও কোন ফল হয়নি। একপর্যায়ে হতাশ হয়ে কর্মীরা বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এরকম আরও নিউজ
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews